Google search bar

Custom Search
Showing posts with label বাংলা. Show all posts
Showing posts with label বাংলা. Show all posts

অনলাইনে কোটি কোটি ওয়েব সাইট আছে যেগুলো প্রোডাক্ট বিক্রি বা এফিলিয়েট মার্কেটিং বা অ্যাড থেকে বিভিন্ন ভাবে আয় করে চলেছে এবং এগুলো প্রতিটিই ভিজিটরের জন্য প্রতিযোগিতা করে চলেছে । আবার কেউ কেউ একই ভিজিটরের জন্য পরস্পর প্রতিযোগিতায় লিপ্ত । এত প্রতিযোগিতার ভিতর কাঙ্খিত ফলাফল কি করে পাওয়া যাবে ? এই প্রশ্নের জবাবে অনেক প্রতিষ্ঠান এবং ব্যাক্তি বলেছিল যে তাদের ওয়েব সাইট আছে । যদিও ওয়েবসাইট থাকা আর মার্কেটিং করে ওয়েবসাইট থেকে আয় করা সম্পূর্ণ ভিন্ন জিনিস । একটি ওয়েবসাইট হল কতকগুলো ডকুমেন্ট, ছবি এবং ইলেক্ট্রনিক্স ফাইলের সমাহার যা সাধারণের ব্যাবহারের জন্য । আর ইন্টারনেট মার্কেটিং করে ওয়েবসাইট এর পাঠক সংখ্যা বাড়াতে হয় । আর আমরা জানি যত বেশি ভিসিটর তত বেশি আয় ।  ব্লগ থেকে আয় করার পূর্বে মানে যখন আপনি ব্লজ্ঞিং শুরু করতে যাচ্ছেন তিনটি জিনিস মাথায় রেখে ব্লগিং শুরু করতে হয় .........


ক) ভিসিটরদের ব্লগের প্রতি আকর্ষণ বাড়ানো ।

খ) তাদেরকে উৎসাহিত করা প্রোডাক্ট কিনতে, যদি আপনি ব্লগিং এর সাথে এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে চান ।

ঘ) ভিসিটর যাতে ব্লগে আবার ফিরে আসে সেই ব্যাবস্থা করা ।


একটা ব্লগ থাকা খুবই ভালো কথা কিন্তু এটা অর্থহীন যদি কেউ সেই ব্লগ সম্পর্কে না জানে বা সেই ব্লগের কোন পাঠক না থাকে । এখানে আমি ব্লগিং এর শুরুটা কিভাবে করা যেতে পারে সেটা নিয়ে একটু বলবো । আসলে এত এত জিনিস নিয়ে চিন্তা করতে হয় যেটা লিখে ফেললে ১০০ পেজের একটা বই হয়ে যাবে । যা হোক আমরা মেইন জিনিসগুলো নিয়ে একটু ঘাঁটি ।  ব্লগ করার সময় তিনটে জিনিস মনে রাখতে হয় –


১। ব্লগের উদ্দেশ্য কি

২। টার্গেট মার্কেটের চাহিদা

৩। প্রোডাক্ট


সুতারাং উদ্দেশ্য, টার্গেট মার্কেট এবং প্রোডাক্ট – এই তিনটে জিনিসকে আবর্ত করেই ব্লগিং এবং ইন্টারনেট মার্কেটিং । উপরের তিনটে জিনিসকে সঠিকভাবে নির্বাচন করতে পারলে ব্লগ থেকে আয়ের পরিমান বেড়ে যায় ।


উদ্দেশ্যঃ


ব্লগ বানানোর পূর্বে অবশ্যই ব্লগের উদ্দেশ্য সঠিকভাবে নির্ধারণ করতে হবে ।নিজের কাছে নিজে ব্লগের বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করুন “আমার ......ব্লগের উদ্দেশ্য কি?” নিজে ব্লগের Objective নির্ধারণ করে তারপর অন্যদের প্রশ্ন করুন । ফেসবুকে ও প্রশ্ন করুন । মাথা ঘামিয়ে বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষের দৃষ্টিকোণ দিয়ে ব্লগকে পর্যবেক্ষণ করুন । কোন শ্রেণীর মানুষদের উপকার হবে এই ব্লগ থেকে, ব্লগের সুফল ও কুফল খুঁজুন । কি উদ্দেশ্য নিয়ে আপনার ব্লগটি যাত্রা শুরু করবে ? এটা কি শুধু মাত্র শখেরবশে নাকি মানুষের উপকারের জন্য নাকি শুধু টাকা আয় করার জন্য ? কক্ষনো টাকা আয় করার উদ্দেশ্য নিয়ে ব্লগি করবেন না, আপনার চিন্তা থাকবে শুধু মানুষের উপকার করা, তাহলেই আপনার টাকা উপার্জন হবে । যা হোক কয়েকটি সাধারণ উদ্দেশ্য হল –


১। প্রোডাক্ট বা সার্ভিস বিক্রি

২। প্রোডাক্ট বিজ্ঞাপন করা

৩। অ্যাড থেকে আয়


উপরে আমরা শুধু প্রাথমিক উদ্দেশ্য নির্ধারণ করেছি এবং এবার দ্বিতীয় দফায় কিছু জিনিস বিবেচনা করবো এবং একটা ব্লগ থেকে ভালো মানের আয় করার জন্য এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ।


১। ব্লগ এস, , এর উপযোগী করে ডিজাইন এবং ডেভেলপ করতে হবে

২। ব্লগে ভাইরাল মার্কেটিং এলিমেন্ট থাকবে, যেমন ধরুন, অনেক বড় এবং খুবই উপকারী কয়েকটি পোস্ট ।

৩। ব্লগের বিষয়বস্তু গুলোকে ভিসিটরের চোখের সামনে রাখতে হবে যেন পাঠককে কোন বিষয় খুঁজতে কষ্ট করতে না হয় কারন অনলাইন পাঠক খুবই অলস ।


টার্গেট মার্কেট বা পাঠক নির্বাচনঃ

ব্লগটা পাঠকের উপর নির্ভর করে সাজাতে হবে কারণ বিভিন্ন পাঠকের রুচি বিভিন্ন । পাঠকের রুচি, বয়স, পুরুষ বা মহিলা বা উভয়ই যে কোন একটা ধরনের পাঠক নির্বাচন করতে হবে, এতে করে ব্লগ মার্কেটিং করতে সুবিধা হবে এবং আয় ও বাড়বে । যেমন ধরুন – আপনি “স্কিন ভালো রাখার মেডিসিন” নিয়ে আপনার ব্লগ লিখবেন তাহলে আপনার টার্গেট পাঠক থাকবে মহিলারা, তবে এক্ষেত্রে ৩৫+ মহিলারা থাকবে আপনার টার্গেট ভিসিটর কেননা ৩৫ বছর এর পর স্কিনে একটু সমস্যা দেখা দেয় । তবে ব্লগিং করার সময় পাঠকের –


১। চাহিদা

২। প্রয়োজনীয়তা

৩। এক্সপেক্টটেশন


বুঝে ব্লগে লিখতে হবে । পাঠক যেন ব্লগ পড়ে মুগ্ধ হয়ে যায়, আর মানুষ ভালো কিছু অন্য মানুষকে জানাতে চায় আর এই ভাবে ভালো বিষয় সোশ্যাল সাইট এ ভাইরাল হয়ে যায় মানে সবার মুখে মুখে থাকে ।


প্রোডাক্ট বা সার্ভিসঃ

ব্লগের বিসয়বস্তুর উপর নির্ভর করে প্রোডাক্ট বা সার্ভিস প্রোমট করা যেতে পারে । যেমন –


১। বই

২। যদি ট্রাভেল ব্লগার হলে হোটেল, এয়ার লাইন

৩। টেকনোলজি ব্লগাররা গ্যাজেট

৪। সফটওয়্যার ব্লগাররা সফটওয়্যার
ইত্যাদি । 




ব্লজ্ঞিং করে টাকা আয় করা কি আসলেই সহজ? বেশ কিছু দিন ধরে দেখছি ব্লগিং করে টাকা আয় করার ব্যাপারে প্রচুর পোস্ট হচ্ছে, কিন্তু ব্লজ্ঞিং করে টাকা আয় করা কি আসলেই সহজ? এমন অনেকেই আছেন যারা ব্লগিং করে টাকা আয় করা যায় শুনে শুরু করেছেন এবং অ্যাড ও বসিয়েছেন ব্লগে কিন্তু মাসের শেষে কোন আয় নেই । উপরন্তু নেট বিল এবং সময় নষ্ট এবং মাথাও নষ্ট কারন এস ই ও না কি করতে হয় ব্লগ থেকে টাকা আয় করতে । এস ই ও না করলে নাকি ভিসিটর পাওয়া যায় না আর ভিসিটর না থাকলে অ্যাড কোম্পানি গুলো কোন টাকা দেয় না। গুগল পাণ্ডা এবং পেঙ্গুইন কি সব জীব জন্তু আবার এস ই ও এর মাঝে আবার বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে তার উপর আবার হোয়াট হ্যাট, ব্ল্যাক হ্যাট, কী ওয়ার্ড রাঙ্কিং !!!!! উফ............!!!!!!!!


এত সব জেনে বুজে এত কষ্ট করে টাকা আয় !!!! অসম্ভব !!!!! ঠিক এভাবে হতাশ হয়ে আমার মতো অনেকেই ব্লগিং থেকে নিষ্কৃতি পেয়েছেন ।   এভাবে ৯৩% মানুষ ব্লগিং শুরু করেও মাঝ পথে ব্লগিং ছেড়ে দিচ্ছেন কোন রকম আয় ছাড়া । তাদের জন্য আমার বাক্তিগত জীবনের অভিজ্ঞতা নিয়ে এই পোস্ট । এখানে অনেক বড় বড় অভিজ্ঞরা আছেন, ভুল হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন । আমি শুধু আমার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করছি মাত্র ।


আমি মূলত অলস প্রকৃতির মানুষ । ব্লগিং করে টাকা আয় করার প্রবল ইচ্ছা আমার ও ছিল আর এখনো আছে । ব্লগিং শুরু করলাম, শুরুতে শুধু জানতাম ব্লগে লিখতে হয় আর অ্যাড বসাতে হয় । ব্লগ খুললাম অনেক কষ্ট করে আর খুব কষ্ট করে পোস্ট ও লিখলাম কিন্তু ভিসিটর হয় না। অ্যাড এ কোন ক্লিক ও হয় না আর ইনকাম ও হয় না । গুগল ঘাঁটাঘাঁটি করে জানলাম যে এস ই ও করে ব্লগে ভিসিটর বাড়াতে হয় । কিন্তু এস ই ও ত জানি না । অনেক কষ্ট করে কিছু এস ই ও ও শিখলাম । কিছু ডুফোলো ব্লগ কমেন্ট করলাম আর সোশ্যাল বুক মারকিং করলাম । ব্লগ কমেন্ট করলাম ৪৮ আর বুক মারকিং করলাম ২৮ এর মত । অনেক অনেক কষ্ট মনে হল কী ওয়ার্ড রাঙ্কিং এবং ভিসিটর ব্লগ এ আনা । অনেক সহজ উপায় খুঁজতে থাকলাম কিন্তু একসময় মনে হল না, এই ব্লগিং আমার জন্য না । তাই সব বাদ দিলাম আর ফ্রীলাঞ্চিং শুরু করলাম আবার পুরো দমে । প্রায় দেড় মাস পর ব্লগ এ ঢুকলাম আর যেটা দেখলাম তাতে আমার মতো সুখী ওই মুহূর্তে আর কেউ ছিল বলে মনে হয় না । আমার ব্লগ এ ডেইলি ভিসিটর প্রায় ১০০ এর মতো এবং আয় ২২.৫৩ ডলার গুগল অ্যাড সেন্সে থেকে । আমাকে আর ঠেকায় কে । ভিসিটরের সোর্স চেক করে দেখলাম অধিকাংশ ভিসিটর এসেছে বুক মার্ক থেকে । আমি ২৮ টি সাইট এর প্রতিটিতে আমার ১০৭ ব্লগ পোস্ট সব বুক মার্ক করেছিলাম । সব বাদ দিয়ে শুরু করলাম সোশ্যাল বুক মার্ক করা এবং এখন মোট বুক মার্ক ২০৪ এবং ডেইলি ভিসিটর প্রায় ১০০০ । আমার মনে হয় এই সিস্টেম টা কারো কাজে লাগতে পারে তাই শেয়ার করলাম ।



বিঃ দ্রঃ সাম্প্রতিক সময়ে আমি পৃথিবীর সেরা ব্লগার ডারেন এর “৩১ দিনে একটা সুন্দর ব্লগ” বইটি পড়ে শেষ করেছি ।ব্লগ এ লিখতে লিখতে একসময় আর বিষয় বস্তু খুঁজে পাওয়া যায় না; এই বিষয়ে সুন্দর একটা অধ্যায় আছে । আপনারা সাহস দিলে আমি অনুবাদ করে প্রকাশ করতে পারি । আর আর্টিকেল লেখা নিয়ে আমার এই টিউনটি দেখতে পারেন ।
 .........।

১. আপানার প্রোফাইল ১০০% কমপ্লিট করুন ।
২. সুন্দর করে একটা Overview লিখুন, আপনার টাইটেল টা আপনার সার্ভিস Related করুন । যেমন আপনি যদি ভার্চুয়াল assistant, PA, data entry সার্ভিস দেন তবে টাইটেল এ যতগুলো পারেন উল্লখ করুন ।
৩. জব Experience এর জায়গায় সুন্দর করে বর্ণনা সহ ৩/৪ টি আপনার অতীত জব এর বর্ণনা দিন ।
৪. একটা পোর্টফলিও ওয়েব সাইট বানিয়ে তাতে আপনার সম্পর্কে লিখে রাখুন ।
৫. লিঙ্কেড ইন এ ও আপানার CV বানিয়ে রাখলে ভালো হয় যদি আপনি পোর্টফলিও ওয়েব সাইট বানাতে না পারেন।
৬. বেশ সময় নিয়ে সব কিছু করুন, কারন আপনা প্রোফাইল এবং CV এবং পোর্টফলিও ওয়েব সাইট ই আপনাকে বেশী পরিমান কাজ এনে দেবে । সুতরাং একটু সাবধানে করবেন যাতে বায়ার আপনার প্রোফাইল দেখে বিশ্বাস করতে বাধ্য হয় আপানার স্কিল সম্পর্কে ।


BTW:  ওয়ার্ডপ্রেস এ পোর্টফলিও ওয়েব সাইট বানানোর টিউটোরিয়াল দেখে ওয়ার্ডপ্রেস এ ওয়েবসাইট বানান । আপনি প্লাগ ইন্স ও ইন্সটল করতে পারবেন এবং আপনার ইচ্ছা মত থিম ও ইন্সটল করতে পারবেন এই পোস্ট থেকে। 

গুগল কী ওয়ার্ড রিসার্চ টুলস ব্যবহার করে আপনার প্রোডাক্ট বা সার্ভিসএর উপর লং টেল কী ওয়ার্ড খুঁজে বের করুন যে কী ওয়ার্ড গুগলে সব থেকে বেশী সার্চ হয় এবং আপানার আর্টিকেল এর টাইটেল এর ভিতর ব্যবহার করুন । সম্ভভ হলে পুরো কী ওয়ার্ড টাই ব্যবহার করুন টাইটেল হিসাবে । এতে আপনার আর্টিকেল টি গুগলে সার্চ রেজাল্ট থেকে বেশী ভিজিটর পাবে । এবার বডি কি ভাবে লিখব সেটা দেখি । আপনি যে প্রোডাক্ট বা সার্ভিস বিক্রি করতে চান সেই রিলেটেড প্রোডাক্ট বা সার্ভিস নিয়ে রিসার্চ করুন এবং যে প্রোডাক্ট বা সার্ভিস বেশী বিক্রি হয় সেই গুলির সাথে তুলনা করে আর্টিকেল লিখুন । তবে তুলনা করার সময় পুরো ১০০% আপনার প্রোডাক্ট এর ভালো ফীড ব্যাক দেবেন না । মোট কথা আপনি নিজের Idea দিয়ে, বুদ্ধি দিয়ে তুলনা করবেন । মোট কথা আপানার প্রোডাক্ট এর একটা সুন্দর বৈশিষ্ট্য ফুটিয়ে তুলবেন যা আগে কেউ স্বাভাবিক চোখে বুজত না, আপানার আর্টিকেল পড়ে তারা এটা কে কিনতে আগ্রহী হবে । আর্টিকেল এর গ্রামার, বানান, এবং প্রতিটি লাইন এর অর্থ যেন সম্পূর্ণ হয় এবং কী ওয়ার্ড ঘনত্ব ৩% হয় ।অবশ্যই এস, ই , ও Friendly আর্টিকেল হতে হবে। আর্টিকেল টি ৫০০-৭০০ বা তার বেশী এবং রিসার্চ বেজড হলে খুব ই ভালো হয় । আমি আগে ও বলেছি ৯৫% সেল রিভিউ পড়ে সেল হয় । সুতরাং আপানার আর্টিকেল টি ভালো হলে আপনার ভাগ্য বদলে জেতে পারে ।

Popular Posts

Earn money with afoc.us

Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...